আরও ভালো ভালো খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন ➤ https://www.bdnews24hr.xyz/

ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ের পরের বছর পিএসজি থেকে বার্সেলোনায় পাড়ি জমান রোনালদিনহো। বার্সার যুব প্রকল্পে তখন লিওনেল মেসি নামের এক বিস্ময় বালকের উত্থান পর্ব চলছে। প্রথম দেখাতেই রোনালদিনহো বুঝে গিয়েছিলেন, মেসিই হতে যাচ্ছেন আগামীর বিশ্বসেরা। বাকিটা ইতিহাস। আর্জেন্টাইন জাদুকরের মহামহিম ক্যারিয়ারে ব্রাজিলীয় কিংবদন্তির অবদানের কথা সবারই জানা।ক্যারিয়ারের শুরুতে বন্ধু ও ভাইয়ের মতো আগলে রেখে মেসিকে পথ দেখিয়েছেন রোনালদিনহো। বার্সেলোনার মূল দলের হয়ে মেসির প্রথম গোলটিও তার বানিয়ে দেয়া। পাঁচ বছর একসঙ্গে খেলে ন্যুক্যাম্প ছাড়ার আগে রোনালদিনহো নিজেই যেন বিশ্বসেরার ব্যাটন মেসির হাতে তুলে দিয়ে যান। রোনালদিনহোর অবদানের কথা এখনও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন বার্সেলোনা অধিনায়ক।

কিন্তু মেসির বিশ্বসেরা হয়ে ওঠার পেছনে তার তেমন কোনো ভূমিকা নেই বলেই দাবি করলেন সাবেক ব্রাজিলীয় প্লেমেকার! বিনয় নয়, রোনালদিনহো স্পষ্ট করেই বলেছেন, মাঠের খেলায় তার কাছ থেকে কিছুই শেখার ছিল না অনুজ সতীর্থের। কারণ, সবই ছিল মেসির।

সম্প্রতি পানেনকা ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্সেলোনায় নিজের সোনালি অধ্যায়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মেসিকে নিয়ে শুধু মুগ্ধতাই ঝরল রোনালদিনহোর কণ্ঠে, ‘যখন আমি বার্সেলোনায় আসি, একাডেমির এক কিশোর প্রতিভার কথা সবার মুখে মুখে। এরপর আমরা বন্ধু হয়ে গেলাম। একসঙ্গে খেলতে শুরু করলাম। লিও ছিল অন্য সবার চেয়ে আলাদা। আমরা মূল দলের খেলোয়াড়রা রাইকার্ডের (কোচ) সঙ্গে কথা বললাম যেন সে (মেসি) আমাদের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারে। এসব একদম শুরুর দিনগুলোর কথা। আমি অনেক সৌভাগ্যবান যে, মেসির প্রথম গোলে সাহায্য করতে পেরেছিলাম। এখন ভাবতেই ভালো লাগে, মেসির শুরুটা এত কাছ থেকে দেখেছি। যে পরে বিশ্ব জয় করেছে।’


মেসির এই ভুবন জয়ের কৃতিত্বে ভাগ বসাতে ঘোর আপত্তি রোনাদিনহোর, ‘সবসময় আমরা ঘনিষ্ঠ ছিলাম। একসঙ্গে অনেক কিছু শিখেছি। সে আমাকে স্প্যানিশ ভাষা শিখিয়েছে, আমি তাকে পর্তুগিজ শিখিয়েছি। কিন্তু বল পায়ে আমাদের বোঝাপড়া ছিল নিখুঁত। আমার জন্য সবচেয়ে বড় বিস্ময় ছিল, তার শান্ত স্বভাব। কিছুতেই লিও বিচলিত হতো না। কোনো ঝামেলায় জড়াত না। সব সময় সে তার পরিবার ও কাছের মানুষদের সঙ্গে থাকত। সবকিছুই ছিল লিওর। আমার কাছ থেকে কিছু নেয়ার প্রয়োজন ছিল না তার।’

Post a Comment

Previous Post Next Post